কার্যক্রম

এক নজরে ফুটতে দাও ফুল এর কার্যক্রম :

শিশু-কিশোর সংগঠন ‘ফুটতে দাও ফুল’ একটি সামাজিক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষা, ক্রীড়া পরিবেশপ্রেমী, অরাজনৈতিক, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। ২০০৩ সালে একটি পাঠাগার স্থাপনের মাধ্যমে শেরপুর জেলার শ্রীবরদী উপজেলায় এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। যদিও খেলাধুলাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম আরও আগে থেকেই চলছিল। প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।
 মেধা বিকাশ: শিশু-কিশোরদের শিক্ষা, সংস্কৃতি, খেলাধুলা তথা বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে নিজস্ব উদ্ভাবনী ক্ষমতা উন্নয়নের সৃজনশীল ও গঠনমূলক মেধা বিকাশের চেষ্টা করা। এর মধ্য দিয়ে শিশু-কিশোরদের একজন আদর্শ নাগরিক ও যথাযথ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা।

# মূলত খেলাধুলার মাধ্যমে এর যাত্রা শুরু হয় অনেক আগেই। প্রথম কয়েক বছর খেলাধুলার মাঝেই সীমাবদ্ধ ছিল।
# একটি পাঠাগার স্থাপন করা হয়েছিল ২০০৩ সালে এবং এর মাধ্যমেই আনুষ্ঠানিকভাবে এর যাত্রা শুরু হয়। পাঠাগারে নিয়মিত দুই থেকে তিনটি পত্রিকা রাখা হতো। ছোটদের উপযোগী বই ছিল প্রায় দুই শতাধিক। ২০০৮ সালের শুরুর দিকে বিভিন্ন সমস্যার কারনে পাঠাগারটি বন্ধ হয়ে যায়।
# ২০০৪ সালে প্রথম প্রকাশিত হয় ফুলকলি নামে ছোটদের জন্য পত্রিকা। ইতিমধ্যে এর ৯টি সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছে। যাতে ছোটদের লেখা ছাপা হয়েছে। দেশের খ্যাতনামা লেখকরা তো লিখেছেই।
# ২০০৫ সালে শুরু হয় সাহিত্যচর্চার আসর। ৬২টি সাহিত্য আসর হয়েছে। যেখানে উপস্থিত সবাই স্বরচিত লেখা পাঠ করেছে। লেখার উপর আলোচনা হয়েছে। যদিও এখন সাহিত্য আসর অনিয়মিত হচ্ছে।
# চারটি লেখালেখি কর্মশালা হয়েছে। একটি ক্যারিয়ার কর্মশালা হয়েছে।
# মুক্তিযুদ্ধের গল্পের পাঠচক্র হয়েছে তিনটি।
# বৃক্ষরোপন অভিযান পালন করেছে। যাতে স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে ১৫০০ গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।
# বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতা মূলক প্রচারণা করেছে।
# বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস, ভাষা দিবস, শিশু দিবস, শিশু অধিকার দিবস, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এবং বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হয়েছে।
# মাদক বিরোধী দিবস পালন এবং সংগঠনের সব সদস্যদের ধূমপান না করার শপথ গ্রহণ।
# সংগঠনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে প্রতিযোগিতার আয়োজন এবং বিজয়ীদের পুরস্কার হিসেবে বই ও সনদপত্র বিতরন। এই অনুষ্ঠানে প্রতিবছর তিন শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে।

@@ এছাড়াও বিভিন্ন কাজ করার চিন্তা সংগঠনের সদস্যদের মাঝে আছে। সাধ্যের বাইরে হওয়ায় এসব করা সম্ভব হয়নি।
# জেলার মেধাবী কিন্তু দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রতি বছর বৃত্তি প্রদান।
# শিক্ষা মূলক শিশুতোষ চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন।
# গরীব শিশু ও গরীব মানুষদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ।
# যতটুকু সম্ভব একজন শিক্ষার্থীর জীবন গঠনে সামনে এগিয়ে চলার পথে সহযোগিতা করা।
# প্রতিবছর বইমেলার আয়োজন।
# ছোটদের জন্য নিয়মিত পত্রিকা প্রকাশ।
# ছোটদের মেধা বিকাশে বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নেওয়া।
# অভিভাবকদের সচেতন করতে বিভিন্ন প্রচারণামূলক কাজ করা।
# সমাজ উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নেওয়া।

মন্তব্যসমূহ