@@ দুই বন্ধু গেছে সিনেমার হলে বসে সিনেমা দেখছে আর পান চিবুচ্ছে। এক সময় এক বন্ধু আরেক বন্ধুকে বলল : কিরে পানের পিক ফেলব কোথায়?
দ্বিতীয় বন্ধু উত্তর দিল : তোর পাশের জনের পকেটে
প্রথম বন্ধু : যদি টের পায়...
দ্বিতীয় বন্ধু : আমি যে তোর পকেটে ফেলেছি, তুই টের পেয়েছিস...
@@ হঠাৎ পাশের ঘরে ধপাস করে শব্দ হলো। অন্য ঘর থেকে স্বামীকে স্ত্রী চেচিয়ে বলল : ও গো হলো..?
স্বামী : আমার র্শাটটা পড়ে গিয়েছিল
স্ত্রী : র্শাট পড়লে এত জোরে শব্দ হয় নাকি?
স্বামী : না মানে, শার্টের ভেতরে আমি ছিলাম তো, তাই...
@@ এক মাতাল বাসে উঠেছে। কিছুক্ষণ পর তার পাশে দাঁড়ানো ব্যক্তিকে সে বলল- ভাই, আমি কি বাসে উঠেছি?
২য় ব্যক্তি: (রেগে গিয়ে) না, প্লেনে উঠেছেন।
মাতাল একটু পর আবার বলল- ভাই আমি কি বাসে উঠেছি?
২য় ব্যক্তি: (মাতাল বুঝতে পেরে) হ্যাঁ ভাই, চিন্তার কোনো কারণ নাই। আপনি বাসেই উঠেছেন।
কিছুক্ষণ পর মাতাল আবার জিজ্ঞাসা করল- ভাই, আমি কি সত্যিই বাসে উঠেছি?
২য় ব্যক্তি: কষে একটা থাপ্পড় লাগিয়ে দেব।
মাতাল: আমার নাম কি বলেন তো?
২য় ব্যক্তি: আপনার নাম আমি কি করে বলব।
মাতাল: নাম জানেন না। আবার আমি বাসে উঠেছি জানেন? ফাজলামি করার আর জায়গা পেলেন না। আবার আমাকেই থাপ্পড় দিতে চাচ্ছেন।
@@ দুই মাতাল হেঁটে হেঁটে বাড়ি ফিরছিল। কিছু দূর গিয়ে তারা দেখল- তাদের সামনে একটা বড় বিল্ডিং দাঁড়িয়ে আছে।
১ম মাতাল: দেখ ব্যাটার সাহস। আমাদের সামনে আসছে রাস্তা আটকাতে।
২য় মাতাল: চল, আমরাও দেখিয়ে দেই আমাদের শক্তি।
এই বলে তাহলে তারা বিল্ডিংটা ধাক্কাতে শুরু করল। হয়রান হয়ে গেলে তারা শার্ট খুলে ধাক্কাতে লাগল। এমন সময় পাশ দিয়ে যাচ্ছিল এক চোর। এই সুযোগে সে মাতালদের শার্টদুটো চুরি করে ভাগল। অনেকক্ষণ পর মাতালদের একজন পেছনে তাকিয়ে বলল- দেখ দেখ, বিল্ডিংটা আমরা কতদূর নিয়ে এসেছি। এখান থেকে আমাদের শার্ট দেখাই যাচ্ছে না।
অন্য মাতালটি দেখল, আসলেও তো তাই। তখন তারা বিল্ডিং ধাক্কানো বন্ধ করে রওনা হল শার্টের সন্ধানে।
@@ শিক্ষক: যারা বোকা, তারা ছাড়া সবাই বসে পড়ো।
কিন্তু একজন বাদে সবাই দাঁড়িয়ে রইল।
শিক্ষক: কি বোকারাম, বসছ না কেন?
ছাত্র: স্যার, আপনিও তো দাঁড়িয়ে আছেন, তাই।
@@ শিক্ষক: আসলে আমি তোদের অনেক ভালোবাসি। এই যে, তোদের এত পিটুনি দেই, বকাঝকা দেই, এগুলো আসলে ভালোবাসারই একটা অংশ।
ছাত্র: স্যার, আমরাও আপনাকে অনেক অনেক ভালোবাসি। কিন্তু ছোট বলে প্রকাশ করতে পারি না।
@@ ছেলে: আব্বু, আমি কিন্তু আমার দিয়েতে তোমাকে দাওয়াত দিব না।
বাবা: কেনো বাবা, আমি আবার কি করলাম।
ছেলে: না, তোমার বিয়েতে তো আমাকে দাওয়াত দাও নি, তাই।
@@ আম্মু: খোকা, তুমি না কি আজ ক্লাসে দুষ্টুমি করেছো?
খোকা: কই না তো?
আম্মু: স্যারের নাকি কান ধরেছো?
খোকা: বাহ্, স্যার নিজেই তো বললেন- বেঞ্চের ওপর উঠে দাঁড়িয়ে কান ধরতে। আমি করলাম, নিশ্চয় স্যার তার কান ধরতে বলেছে। নাহলে বেঞ্চের ওপর দাঁড়াতে বলল কেন? আর এখন আমার দোষ হল।
দ্বিতীয় বন্ধু উত্তর দিল : তোর পাশের জনের পকেটে
প্রথম বন্ধু : যদি টের পায়...
দ্বিতীয় বন্ধু : আমি যে তোর পকেটে ফেলেছি, তুই টের পেয়েছিস...
@@ হঠাৎ পাশের ঘরে ধপাস করে শব্দ হলো। অন্য ঘর থেকে স্বামীকে স্ত্রী চেচিয়ে বলল : ও গো হলো..?
স্বামী : আমার র্শাটটা পড়ে গিয়েছিল
স্ত্রী : র্শাট পড়লে এত জোরে শব্দ হয় নাকি?
স্বামী : না মানে, শার্টের ভেতরে আমি ছিলাম তো, তাই...
@@ এক মাতাল বাসে উঠেছে। কিছুক্ষণ পর তার পাশে দাঁড়ানো ব্যক্তিকে সে বলল- ভাই, আমি কি বাসে উঠেছি?
২য় ব্যক্তি: (রেগে গিয়ে) না, প্লেনে উঠেছেন।
মাতাল একটু পর আবার বলল- ভাই আমি কি বাসে উঠেছি?
২য় ব্যক্তি: (মাতাল বুঝতে পেরে) হ্যাঁ ভাই, চিন্তার কোনো কারণ নাই। আপনি বাসেই উঠেছেন।
কিছুক্ষণ পর মাতাল আবার জিজ্ঞাসা করল- ভাই, আমি কি সত্যিই বাসে উঠেছি?
২য় ব্যক্তি: কষে একটা থাপ্পড় লাগিয়ে দেব।
মাতাল: আমার নাম কি বলেন তো?
২য় ব্যক্তি: আপনার নাম আমি কি করে বলব।
মাতাল: নাম জানেন না। আবার আমি বাসে উঠেছি জানেন? ফাজলামি করার আর জায়গা পেলেন না। আবার আমাকেই থাপ্পড় দিতে চাচ্ছেন।
@@ দুই মাতাল হেঁটে হেঁটে বাড়ি ফিরছিল। কিছু দূর গিয়ে তারা দেখল- তাদের সামনে একটা বড় বিল্ডিং দাঁড়িয়ে আছে।
১ম মাতাল: দেখ ব্যাটার সাহস। আমাদের সামনে আসছে রাস্তা আটকাতে।
২য় মাতাল: চল, আমরাও দেখিয়ে দেই আমাদের শক্তি।
এই বলে তাহলে তারা বিল্ডিংটা ধাক্কাতে শুরু করল। হয়রান হয়ে গেলে তারা শার্ট খুলে ধাক্কাতে লাগল। এমন সময় পাশ দিয়ে যাচ্ছিল এক চোর। এই সুযোগে সে মাতালদের শার্টদুটো চুরি করে ভাগল। অনেকক্ষণ পর মাতালদের একজন পেছনে তাকিয়ে বলল- দেখ দেখ, বিল্ডিংটা আমরা কতদূর নিয়ে এসেছি। এখান থেকে আমাদের শার্ট দেখাই যাচ্ছে না।
অন্য মাতালটি দেখল, আসলেও তো তাই। তখন তারা বিল্ডিং ধাক্কানো বন্ধ করে রওনা হল শার্টের সন্ধানে।
@@ শিক্ষক: যারা বোকা, তারা ছাড়া সবাই বসে পড়ো।
কিন্তু একজন বাদে সবাই দাঁড়িয়ে রইল।
শিক্ষক: কি বোকারাম, বসছ না কেন?
ছাত্র: স্যার, আপনিও তো দাঁড়িয়ে আছেন, তাই।
@@ শিক্ষক: আসলে আমি তোদের অনেক ভালোবাসি। এই যে, তোদের এত পিটুনি দেই, বকাঝকা দেই, এগুলো আসলে ভালোবাসারই একটা অংশ।
ছাত্র: স্যার, আমরাও আপনাকে অনেক অনেক ভালোবাসি। কিন্তু ছোট বলে প্রকাশ করতে পারি না।
@@ ছেলে: আব্বু, আমি কিন্তু আমার দিয়েতে তোমাকে দাওয়াত দিব না।
বাবা: কেনো বাবা, আমি আবার কি করলাম।
ছেলে: না, তোমার বিয়েতে তো আমাকে দাওয়াত দাও নি, তাই।
@@ আম্মু: খোকা, তুমি না কি আজ ক্লাসে দুষ্টুমি করেছো?
খোকা: কই না তো?
আম্মু: স্যারের নাকি কান ধরেছো?
খোকা: বাহ্, স্যার নিজেই তো বললেন- বেঞ্চের ওপর উঠে দাঁড়িয়ে কান ধরতে। আমি করলাম, নিশ্চয় স্যার তার কান ধরতে বলেছে। নাহলে বেঞ্চের ওপর দাঁড়াতে বলল কেন? আর এখন আমার দোষ হল।
@@ সংগ্রহ: রেজাউল করিম লিটন
kub sundor hoise
উত্তরমুছুনতেমন ভালো হয় নাই। মাইনাস দিলাম।-----------
উত্তরমুছুনহাহাহা...বেশ হয়েছে।
উত্তরমুছুনহা হা হা.....মজার তো
উত্তরমুছুনছোটদের জন্য অনেক সুন্দর ওয়েব....
এগিয়ে যাক আরো সামনে
GOOOOOOOODDDD
উত্তরমুছুনভাল হইচে , ব্যাফুক বিনোদিত হইলাম
উত্তরমুছুন